• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Benefits

টুকিটাকি

Oliv Oil: সোনালি অলিভ ওয়েলের গুণাগুণ

প্রতিদিনের রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে, শরীর ভীষণভাবে উপকৃত হয়। অলিভ অয়েলে রয়েছে সামান্য মিষ্টি, ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট। যার ফলে, এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রয়েছে অলিক প্রোপেন, যা সবচেয়ে শক্তিশালী পলিফেনল হিসেবে গণ্য। এটা এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মানব শরীরে ভীষণ উপকারী। অলিভ অয়েলে পাওয়া পলিফেনলগুলি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায়তা করে। আপনি যদি খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল যুক্ত করেন, তাহলে আপনার রক্তে সর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।১. অলিভ অয়েলে মেলে পলিফেনল। এটি হল এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যার জন্য শরীরে ইনস্যুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও উপকারী অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।২. প্রতিদিন রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। অলিভ অয়েলে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষগুলিকে নষ্ট করে দেয়।৩. পাকস্থলী ও অন্ত্রের জন্য ভীষণই উপকারী অলিভ অয়েল। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। অলিভ অয়েল প্রতিদিন ব্যবহারে কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি মেলে।৪. অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।৫. অলিভ অয়েল দিয়ে চোখের চারপাশ মাসাজ করলে উপকার মেলে। এরফলে, ক্লান্তিভাব দূর হয়, ভাল ঘুম হয়।৬. অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে শরীরে উচ্চরক্তচাপ কমে। অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফেনল ও মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড -- যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।৭. অলিভ অয়েল স্মৃতিলোপ রুখতে সাহায্য করে। অ্যালঝাইমারের মোকাবিলা করে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জাম

গরমকালে কালো জাম অনেকেরই প্রিয়, বেগুনি রঙের এই ফলটি (Jamun) ভারতবর্ষে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে অগস্ট পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। সমস্ত বয়সের জন্য উপকারী এই ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়েটি ফাইবারের একটি উৎস কাল জাম, এটি লিভারকে সক্রিয় করে এবং প্লীহাটি হজম ট্র্যাক্টকে সর্বোত্তম সুস্থ রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, কালো জামের উপস্থিত পটাশিয়াম (potassium) এবং ফসফরাস ( phosphorous) জাতীয় প্রয়োজনীয় খনিজগুলি উচ্চ রক্তচাপের মতো হৃদযন্ত্রের যত্নের মতো নির্দিষ্ট কার্ডিও-ভাস্কুলার অবস্থার রক্ষা করে।আরও পড়ুনঃ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির পাশাপাশি জানুন ত্রিফলার ঔষধিগুণ বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম ইমিউনিটি বাড়ায়, ভিটামিন B1, B2, B3, B6, এর পাশাপাশি, কালো রঙের বরইতে Vitamin C- এর একটি উচ্চ পরিমাণ রয়েছে, একটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ফ্রি র্যা ডিক্যালগুলিতে আক্রমণ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এই ফলটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অভ্যন্তরীণ সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এবং বাহ্যিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হাড়কে শক্তিশালী করে, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজগুলির উপস্থিতি হাড় এবং দাঁতগুলিকে মজবুত করে। বিশেষজ্ঞদের মতে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে আধ চা চামচ কাল জামের গুঁড়ো হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জামের এমন কিছু কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্ল্যাকহেডস, পিম্পলস এবং ব্রণ মুখের উপর উপস্থিত হওয়া রোধ করে। ফলের রক্ত পরিশোধক বৈশিষ্ট্যগুলির পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল করার উপাদানও রয়েছে।

জুন ২৭, ২০২১
টুকিটাকি

চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকার

অদ্ভুতভাবেই বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। আদ্রতা কমে এসেছে। ড্রাই হয়ে গিয়েছে। ঠোঁট ফাঁটছে অসময়েও। জানেন কি এ হেন সময়ে বেল খেলে আপনার এই সমস্যা দূর হবে! কারণ বেলে রয়েছে হাজারও উপকারিতা।সেই প্রাচীন সময় থেকেই কিন্তু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পাকপোক্ত জায়গা করে করে নিয়েছিল বেল। তাই বেল খেয়ে থাকুন সুস্থ। তাহলে জেনে নিন বেলের উপকারিতা।১) কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে- সবাই জানে বেল পেট পরিষ্কার করে।একথা কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভাবেও সত্য।নিয়মিত টানা ৩ মাস যদি আপনি বেল খান তাহলে আপনি সহজেই মুক্তি পেতে পারেন এই সমস্যা থেকে।২) আলসারের ওষুধ হিসেবে- পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে যা আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী। সপ্তাহে তিনদিন খান বেলের শরবত।এছাড়া বেলের পাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খেলেও অনেকংশে কমে আলসার।৩) ডায়াবেটিস কমায়- পাকা বেলে আছে মেথানল নামের একটি উপাদান যা ব্লাড সুগার কমাতে অনবদ্য কাজ করে।তবে শরবত করে নয় বেল খেতে হবে এমনিই।৪) আর্থ্রারাইটিস কমাতে- ব্যাথা ছাড়া এখন খুব কম মানুষই আছেন।নিয়মিত বেল খেলেই মুক্তি পাবেন আর্থ্রারাইটিস-এর সমস্যা থেকে।৫) এনার্জি বাড়ায়- এনার্জি বাড়াতে বেলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১০০ গ্রাম বেল ১৪০ ক্যালোরি এনার্জি দেয়। এছাড়াও বেল মেটাবলিক স্পিড বাড়ায়। ৬) ব্লাড প্রেসার কমায়- ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেলের জুড়িমেলা ভার।

মে ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

মাংস ছাড়াই আমিষ-বিকল্প সয়াবিনে

ডায়াটেশিয়ানরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার ২০ বা ৩০ শতাংশ হওয়া খাবার হওয়া উচিত আমিষ। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা মাছ- মাংস খায় না, তাহলে তাদের কী করনিও? আমাদের অনেকের ধারণা, আমিষ কেবল মাংস খেলেই পাওয়া যায়। কিন্তু মাংস ছাড়াও আমিষের আরও নানান উৎস আছে। ধরা যাক, কেউ মাংস পরিহার করতে চান বা নিরামিষাশী হতে চান, তবে তাঁর আমিষের চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে? ডিম, দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শিমের বীজ, বাদাম, ছোলা, সয়াবিন, মটরশুঁটি, বরবটি, বিভিন্ন সবজির বীজ ইত্যাদি থেকেও আমরা প্রচুর পরিমাণে আমিষ পেতে পারি। এই খাবারগুলোকে নানাভাবে রান্না করে, যেমন বুটের ডালের হালুয়া, ডিমদুধের পুডিং, পায়েস, মাছের কাটলেট বা চপ, ডালের বড়া, ছানা, দই ইত্যাদি প্রস্তুত করে খেলে আমিষের চাহিদা পূরণ হবে মাংস ছাড়াই।মাংসের পরিপূরক কী হতে পারে?এক টুকরা ৩০ গ্রাম পরিমাণ মাংসে আছে ৬ গ্রাম আমিষ। এর পরিবর্তে সমপরিমাণ আমিষ পেতে হলে আপনি খেতে পারেন ১৬০ গ্রাম বাদাম, দেড় কাপ দুধ, ৩৫ গ্রাম মাছ, আধ কাপ মটরশুঁটি, ২ কাপ তরল ডাল (মুগ-মসুর), ২০ গ্রাম পনির, ৩৫ গ্রাম ছানা, ২৫ গ্রাম ছোলার ডাল, ১৫ গ্রাম সয়াবিন, ৩০ গ্রাম ছোলা, ২০ গ্রাম সরিষা ইত্যাদির যেকোনো একটি। সয়াবিনের উপকারিতাপ্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। আক্ষরিক অর্থেই সয়াবিনের হাজার গুণ। একেবারে এক সে বরকর এক এফেক্ট। ১. সয়াবিনে প্রচুর পটাসিয়াম থাকায় হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।সয়াবিন হার্টের পক্ষে খুবই ভাল, এটি হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।৩. সয়াবিনে থাকা স্বাস্থ্যসম্মত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।৪. ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো প্রাণিজ প্রোটিনের সমতুল্য সয়াবিন।৫. ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে সয়াবিনে।৬. সয়াবিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের খনি, যা হার্ট ও লিভারের সক্রিয়তা বজায় রাখতে সহায়ক।৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সয়াবিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।৮. সয়াবিনে থাকা প্রোটিন সেরিব্রাল কর্টেক্সের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, যা মানুষের কাজের ক্ষমতা বাড়ায়।৯. সয়াবিনে প্রচুর লেসিথিন থাকে যা মস্তিষ্ক গঠনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।১০. বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা জরুরি, পরবর্তীকালে ব্রেস্ট ক্যানসারের সম্ভাবনা কমে।সত্যিই সয়াবিনের জুড়ি মেলা ভার। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রেও সয়াবিন খাওয়া উপকারী। সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে যা ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া দূর করতে সক্ষম। সয়াবিনে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফোলেট রয়েছে যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস দূর করতে সাহায্য করে। সয়াবিনে থাকা ফাইবার কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সয়াবিন বিশেষ উপকারী। টাইপ টু ডায়াবেটিসের হাত থেকে মুক্তির জন্য সয়াবিন সহায়ক।সুস্বাস্থ্যের এই মন্ত্র তাই পাতছাড়া একেবারেই করবেন না। করলে নিজেই পস্তাবেন।

মে ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

তরমুজ বীজের উপকারিতা

গরমের ট্রেডমার্ক ফল তরমুজ। গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ। গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী। তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী। তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উৎসেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ। এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব। কারণ, সাধারণত বীজের ওপরের কঠিন খোল হজম করতে পারে না প্রাণীর পরিপাকতন্ত্র।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির পাশাপাশি জানুন ত্রিফলার ঔষধিগুণ

ভারতীয় আয়ুর্বেদে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে ত্রিফলা। এটা হল তিনটি ফলের মিশ্রণ। ত্রিফলা আয়ুর্বেদিক ওষুধের প্রধান উপাদান। ত্রিফলা-য় তিনটি ফল থাকে আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা। এর প্রতিটি ফলের গুণাগুণ অনেক এবং এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বাড়াতে সাহায্য করে।আয়ুর্বেদ চিকিৎসা মতে ত্রিফলা সেবন হজমের জন্য খুব ভাল ফল দেয়। এটি একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ফলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এর কাজ। বর্তমানে করোনাকালে এটা অনেক সহায়তা করতে পারে আমাদের। ত্রিফলা বাজারজাত একটি দ্রব্য। এটা পাউডার, জুস, ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। ত্রিফলা সেবন হজম প্রক্রিয়া ছাড়াও বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর বিষয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে ত্রিফালার নিয়মিত সেবন টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ত্রিফলার প্রধান পাঁচটি গুণ-হজম শক্তি বৃদ্ধিত্রিফলার সর্বাধিক পরিচিত স্বাস্থ্যগুণ হল এটি হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। রেচন প্রক্রিয়া উন্নত করার কারণে অন্ত্রনালির গতিপথ অনেক উন্নত করে তোলে। অন্ত্রের হজম প্রক্রিয়ায় কাজে আসা ভাল ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে মানব দেহের পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।ইমিউনিটি বুস্টারদ্য ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফার্মাসিউটিকাল সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, ত্রিফলা আমাদের ইমিউনিটির জন্য দুর্দান্ত এবং ইমিউনো সাপ্রেসেন্ট হিসাবেও কাজ করে। ত্রিফলার নিয়মিত সেবন যে কোনও প্রকার সংক্রমণ এবং অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।দাঁতের স্বাস্থ্য২০১৬ পেরিওডন্টোলজির জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে , ত্রিফলা দাঁতের ভাল স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ত্রিফলা ভেজানো জল দিয়ে মুখ ধুলে, মুখের গন্ধ ও নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।চোখের দৃষ্টি ভালো রাখেএক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল, চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এটি। শুধু দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় তা নয়, মারাত্মক চোখের অসুখ ছানি বা গ্লুকোমা থেকেও রক্ষা করে।ওজন কমেশরীরের অতিরিক্ত ওজন কিছু দিনের মধ্যেই কমিয়ে ফেলতে পারে ত্রিফলা। এটি যেহেতু হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, সেহেতু ওজন কম করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করার পাশাপাশি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল ট্র্যাক্ট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে রোজ আম খাওয়ার পরামর্শ ডায়াটেশিয়ানদের

গরমকালটা আসলেই অনেকেরই মনে হয় কেন আসল, বেশ তো শীতকালটা ছিল। গরম, ঘাম , এনার্জির ক্ষয় , বিরক্তি সব মিলিয়ে গরমকালের নামটা শুনলেই অনেকের নাক কুঁচকে ওঠে। তবে এত খারাপের মধ্যেও গরমকালে এমন একটা ভালো জিনিস আছে, যা প্রতিটা মানুষ পছন্দ করেন। আর তা অবশ্যই আম ।আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গাছে গাছে আম ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। আর কদিন পর থেকেই আম পাকতে শুরু করে দেবে। সেই আশাতেই অনেকে বসে রয়েছেন। আবার অনেকে তো ধৈর্য ধরতে না পেরে দোকান থেকে ইতিমধ্যেই আম কিনে খেতে শুরু করে দিয়েছেন। যদিও তা কোল্ড স্টোরেজের। সে যাই হোক, আম তো আমই.. আপনিও হয়তো আম থেকে শুরু করে দিয়েছেন , কিংবা কদিন পর থেকেই আম খাবেন। তার আগে জেনে নিন আমের গুণাগুণগুলি। শুধু রসনাতেই এর তৃপ্তি, নাকি স্বাস্থ্যের জন্যেও কিছু উপকারিতা রয়েছে, জেনে নিন।১) আমে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস উপাদান রয়েছে, যা কোলন , স্তন , প্রস্টেট , লিউকেমিয়া প্রভৃতি ক্যানসার থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে।২) আমে থাকা প্রচুর পরিমানে ফাইবার , পেকটিন , ভিটামিন সি কোলেস্টেরল লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে।৩) ত্বকের জন্য আম খুবই উপকারী। ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করে আম।৪) এক কাপ আম আমাদের শরীরে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ প্রদান করে। যা আমাদের চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আম অন্ধত্ব দূর করে, দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে এবং শুষ্ক চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

এপ্রিল ১১, ২০২১
বিবিধ

বহুগুণসম্পন্ন কমলালেবু, জেনে নিন নানাবিধ উপকারিতা

কমলালেবুর রস বা জুস খেতে সকলেই পছন্দ করেন। এতে একদিকে যেমন আছে ভিটামিন সি, তেমনই আছে খনিজও। ফলে রোজকার খাদ্য তালিকায় যদি এই ফলটা থাকে তাহলে শুধু ক্যালোরি নয়, একসঙ্গে অনান্য অনেক সমস্যার সমাধান করে দেবে কমলালেবুর রস।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রতিদিন কমলালেবুর রস খাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের মতো দৈহিক সমস্যা দূরে রাখা সম্ভব হবে। শুধু তাই নয় মস্তিষ্ক গঠনেও সাহায্য করে কমলালেবু। পাশাপাশি কমলালেবুতে ফ্যাট থাকে না, ক্যালোরির পরিমাণও অত্যন্ত কম। তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কমলালেবুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত এই ফল খেলে পেটে ব্যথা, ডায়েরিয়া, বদহজম হতে পারে। অন্যদিকে, হার্ট ও কিডনির রোগে যাঁদের হাই পটাশিয়াম যুক্ত খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাঁদের অবশ্যই কমলালেবু খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে তবে খেতে হবে।কমলালেবুর গুণাগুণ:১. কমলালেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি এবং হেসপিরিডিন যা উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসাবে থাকা ফ্ল্যাভনোয়েড শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নিয়ে থাকে।২. ক্যানসার প্রতিরোধে কমলালেবুর জুড়িমেলা ভার। ত্বক, মুখের ভিতর, ব্রেস্ট, ফুসফুস, পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে কমলালেবু। লিউকোমিয়া প্রতিরোধেও কমলালেবুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গবেষণায় জানা দিয়েছে, কমলালেবুতে আরও একটি উপাদান থাকে যাকে বলে লিমোনেন । এই উপাদান ক্যানসার রোধে খুবই উপযোগী।৩. কমলালেবুতে ভিটামিন সি, কোলিন, পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার থাকে। যা স্ট্রোক, এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ফলে যাঁদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো কমলালেবু খেতে পারেন।৪. প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান অর্থাৎ ভিটামিন সি থাকায় নানা ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে কমলালেবু।৫. যাঁদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কাছে কমলালেবু খুবই উপকারী এক ফল। নিয়মিত তা খেতেই পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে!তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার , না জানলে জেনে নিন !

শীতকালে শুষ্কতার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া আমারা ত্বকের নানা সমস্যায় পড়ে থাকি। আমাদের ত্বক টানটান হয়ে যায়। এছাড়া বেশি শুষ্ক হয়ে ত্বক ফেটেও যায়। তাই শীতকালে ত্বকের এক্সট্রা কেয়ার নেওয়া প্রয়োজন। আর এই শীতে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। এবার জেনে নিন ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে.. আরও পড়ুন ঃ চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কি করে, জেনে নিন ! উল্লেখ্য বাজারের নানা ময়েশ্চারাইজারের থেকে নারকেল তেল খুবই উপকারী। ত্বকের রুক্ষ ভাব নারকেল তেল নিমেষে দূর করে দিতে পারে। তাই শীতকালে নিয়মিত ত্বকের জন্য নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে রাত্রিবেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর সামান্য নারকেল তেল গরম করে আলতো হাতে সারা মুখে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে আপনার ত্বক দ্রুত ময়েশ্চারাইজ হয়ে উঠবে। এবং আপনার ত্বক বলিরেখা পড়া থেকেই দূরে রাখবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি

আমলকীর নানা গুনের কথা আমরা জানি। আমলকী চুল থেকে শুরু করে ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তবে এসবের সাথে সাথে আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতেও আমলকী খুবই উপকারী। আর তাই নিয়মিত আমলকীর চা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। এতে আপনি নানা ভাবে উপকৃত হবেন। চলুন তবে জেনে নিই আমলকী চা এর নানা গুনাগুন সম্পর্কে। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন ! উচ্চ রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার এর সমস্যা যাদের রয়েছে তারা নিয়মিত আমলকী চা খতে পারেন। কারণ আমলকী রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে তার জেরে শরীরে সুগার নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন। উপকৃত হবে। এছাড়া আমলকী রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয় তারসাথে কোলেস্টেরলের লেভেল নিয়ন্ত্রন করে। তারফলে হার্টের যেকোনো সমস্যা দূর হয়। অন্যদিকে গলা ব্যথা থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দেয় আমলকী। তাই নিয়মিত আমলকী চা কিংবা আমলকী খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন !

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। শীতকালে সকলের বাড়িতেই ফুলকপির নানা রকমের পদ হয়ে থাকে। ফুলকপি আমাদের ফাইবার জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও এতে থাকা ফাইবার শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ফুলকপিতে উপস্থিত ভিটামিন বি মস্তিষ্কের উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য ফুলকপি খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য ফুলকপিতে উপস্থিত রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইটোকেমিকেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ নানা পুষ্টিকর উপাদান। অন্যদিকে ফুলকপি ক্যান্সার প্রতিহত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্রের খবর, ফুলকপির সালফোরাফেন ক্যান্সারের স্টেম সেল নষ্ট করে দেয় এছাড়া শরীরে কোন ধরনের টিউমার বাড়তে দেয় না। আরও পড়ুন ঃ করোনাকালে মাস্ক কিভাবে ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকবেন, জেনে নিন ! ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড। এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে। ফুলকপি হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরাপেন আছে, তা হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। ফুলকপিতে আছে ভিটামিন বি, সি ও কে, যা এ সময়ের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুলকপির আরও সব প্রয়োজনীয় উপাদান রোগ প্রতিরোধেও অংশ নেয়। এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। রক্ত তৈরিতে আয়রন রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি। কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে। ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
টুকিটাকি

বাদাম খেলে আমাদের শরীরে কি হয় জানেন, জানলে চমকে যাবেন !

বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য বাদাম একটি স্বাস্থ্য সম্মত খাবার।বাদামে প্রচুর খাদ্য আঁশ, উপকারি তেল, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। বাদামের প্রোটিন দেহ গঠনে ও মাংসপেশি তৈরিতে সাহায্য করে। বাদাম স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন বি৩ এবং রেসভেরাট্রল। এই দুটি উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচাল বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে পাশাপাশি ব্রেন এর পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এতে উপস্থিত নিয়াসিন উপাদান আলঝেইমার রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। আরও পড়ুন ঃ চোখের যত্নে দরকারি পাঁচ খাবার হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে উপস্থিত উপকারী তেল শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। বাদামে উপস্থিত পলিফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একাধিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। বিশেষ করে কোলোন ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে বাদাম বেশ কার্যকরী। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। রাতে ১০-১৫ টি কাঁচা বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাদাম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক মুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। বাদামে টাইটোফন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরে নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ডিপ্রেশন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেস কমাতে বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। বাদামে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন বাদাম খাবেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন !

ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। খাওয়ার রুটিন থেকে শুরু করে হাঁটাচলা সবই হয়তো করছেন। তবে আপনি জানেন কি তিন উপায়ে ডিম খেয়ে ওজন কমাতে পারেন। ডিম হচ্ছে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, তাই খিদে কম লাগে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার চাহিদা কমে, তাই ওজনও কমে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ডিম রাখতে পারেন। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে কীভাবে ডিম খাবেন? আরও পড়ুন ঃ অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন না তো, জেনে নিন কি কি সমস্যা হতে পারে ! হাঁড়িতে জল নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ডিম ভেঙে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পরই পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন জল থেকে। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। আর পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমে। আপনার প্রতি দিনের খাবার তালিকায় স্যালাড থাকে, এতে নতুনত্ব আনতে যোগ করুন সিদ্ধ ডিমের কুঁচানো অংশ। এর সঙ্গে মেশান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে পুরো ডিমের পুষ্টিগুণ তো মিলবে। আর মেদও ঝরবে দ্রুত। ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। আর ডিম জোগায় প্রোটিন। ওটমিল ও ডিম একসঙ্গে খেলে মেদ বাড়বে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু

শীতের মরশুমে ফলের মধ্যে অন্যতম হল কমলালেবু। আর এই ফলের উপকারিতাও রয়েছে অনেক। অন্যদিকে কমলালেবু আমাদের বহু রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নিন কমলালেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে.. ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী কমলা। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন; যা শরীরের কোষের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি উপাদন ফলিক অ্যাসিডও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলায়। আরও পড়ুন ঃ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান এক কোয়া রসুন বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলায় থাকে ভিটামিন বি৬; যা মানবদেহে প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। কমলালেবু জাতীয় ফল আমাদের স্ট্রোক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই দূর হবে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ সহায়ক কমলালেবু। কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি তৈরি হয়। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কমলার জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলা খুবই উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার মেলে।তবে শুধু কমলার কোয়াতেই নয়; এর খোসাতেও রয়েছে অনেক গুণ।যেমন, কমলার খোসা রূপচর্চায় অত্যন্ত উপকারী। স্কিনে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সহায়ক পাঁকা কমলার খোসা। তাছাড়া কমলার খোসা একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করে। তাই কমলার তাজা খোসা বেঁটে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে! তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

নভেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপ জল , রূপ লাবণ্যে হয়ে উঠবেন অনন্য !

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপের জল ব্যবহারের কোনো জুড়ি নেই। এটি রুক্ষ্ম, শুক্ষ ও তৈলাক্ত সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারি। ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গে গোলাপের জল মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকের পরিচর্যা করার সময় পিইচ লেবেলের দিকে বিশেষ ধ্যান দিতে ভুলবেন না, দূষণ ও সূর্যের ইউবি রশ্মির জন্য আজ আমাদের ত্বক খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, এর জন্য ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়, এক্ষেত্রে গোলাপের জল পিএইচ লেবেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ও আমাদের ত্বক সতেজ থাকে। গোলাপ জল এস্ট্রিঞ্জেন্ট-এর মতো কাজ করে, যার ফলে আপনি যখনি নিজের ত্বকে গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তখন তা আপনার ত্বক থেকে ধুলো দূর করতে সাহায্য করে। গোলাপ পানির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই কারণে গোলাপ জল এন্টি-এজিং হিসাবে ব্যবহার করা হয়, এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলিকে ভেতর থেকে দৃঢ়তা প্রদান করে তা সতেজ রাখে। যাতে করে মুখের ত্বক টানটান থাকে। গোলাপ জল এক মুহূর্তে আপনার মুডকে সতেজ করে দিতে পারে। আসলে,আপনি যখনই মুখে গোলাপজল ব্যবহার করেন, তখনি এটির সুন্দর গন্ধ আপনার মন সতেজ করে দেয়, যার ফলে স্ট্রেস আপনার আশেপাশে ঘেঁষতে পারে না। আরও পড়ুন ঃ সারাদিন চোখ কম্পিউটার - মোবাইলে , বিপদ রুখতে কি করণীয় ? এবার জেনে নিন , কিভাবে ব্যবহার করবেন গোলাপ জল । মুখ ধোয়ার পরে, তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে মুখের নিচের থেকে ওপর দিকে আলতো করে গোলাপ জল লাগান। আপনি রাতে শোয়ার আগে এর ব্যবহার করতে পারেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

কচুর লতির উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন আপনিও !

বাঙালির হেসেলে এমন কিছু খাওয়ার আছে যা সত্যি ভাবনার বাইরে। কচুর পাতা থেকে শিকড় কোন কিছুই বাদ যায়না খাওয়ার ক্ষেত্রে। কচুর লতির নাম শুনতেই জিভে জল চলে আসে। তবে শুধু সুস্বাদু নয় এর উপকারিতাও অনেক। কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন।যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।গর্ভস্থ অবস্থা, খেলোয়াড়, বাড়ন্ত শিশু, কেমোথেরাপি পাচ্ছে এমন রোগীদের জন্য কচুর লতি ভীষণ উপকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম।যা হাড় শক্ত করে ও চুলের ভঙ্গুরতা রোধ করে। আরও পড়ুন ঃ ঘরোয়া উপায়ে সামান্য খরচে রোধ করুন চুলের অকালপক্কতা এই সবজিতে ডায়াটারি ফাইবার বা আশের পরিমান খুব বেশি।যা খাবার হজমে সাহায্য করে।দীর্ঘ বছরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কচুর লতিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে যা সংক্রামক রোগের থেকে আমাদের দূরে রাখে।শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী।ভিটামিন সি চর্মরোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। অনেকেই কচুর লতি খান চিংড়ি মাছ দিয়ে।চিংড়ি মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল।তাই যারা হৃদরোগী,ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় আক্রান্ত বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তারা চিংড়ি মাছ ও শুটকি মাছ বর্জন করুন।কচুর লতি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না।তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন কচুর লতি। খাবার হজমের পর বর্জ্য দেহ থেকে সঠিকভাবে বের হতে সাহায্য করে।তাই কচুর লতি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই কম।আয়োডিন দাঁত, হাড় ও চুল মজবুত করে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরে নানাবিধ রোগ দূর করতে অনবদ্য গাজর

সব মানুষের শরীরে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। কিন্তু গাজর খেলে শরীরের অনেক সমস্যা একেবারে মিটে যেতে ্পারে। চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক , গাজরে উপস্থিত খাদ্যআঁশ আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। ফলে দ্রুত খাবার হজম হয়ে যায়। এছাড়া গাজর চুল পড়ার সমস্যা, ব্রণের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। এরজন্য নিয়মিত গাজর খাওয়া খুবই উপকারী। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঢেঁড়স অনবদ্য গাজর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে। গাজর চোখের জন্য খুব ভাল। অন্যদিকে গাজরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ডায়েটারি ফাইবার আমাদের শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে আমাদের হার্ট ভাল থাকে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঢেঁড়স অনবদ্য

ঢেঁড়স খেতে ভালবাসেন না , এমন বাঙালি খুব কমই আছে রাজ্যে। কিন্তু রোগ প্রতিরোধে ঢেঁড়সের ভূমিকা যে কত , তা জানলে সকলে চমকে যাবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক , ঢেঁড়স খেলে আমাদের কি কি উপকার হতে পারে। কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ঢেঁড়স। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে জুড়ি নেই ঢেঁড়সের। মারণ ব্যধি ক্যান্সার প্রতিরোধে ঢেঁড়সের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান শুক্তো , ছাতু এছাড়াও ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে ঢেঁড়সের। রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতে জুড়ি নেই ঢেঁড়সের। এছাড়াও হাড়কে শক্তপোক্ত করে ঢেঁড়স। হাঁপানি প্রতিরোধেও ঢেঁড়সের জুড়ি মেলা ভার।

নভেম্বর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশের ঘেরাটোপে হাফপ্যান্ট পরে ফলতার রাস্তায় জাহাঙ্গির, বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ

ফলতার রাজনীতিতে একসময় যাঁর দাপট ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, সেই জাহাঙ্গির খান এখন পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও অতীতে অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে যেমন কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল, এ ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যায়নি। তবুও পুলিশের সদস্যরা তাঁকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে জনতার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তকারীরা প্রথমে জাহাঙ্গিরকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নথি ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সূত্র খুঁজে বের করতেই এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারি নিজেই ছিল নাটকীয়। গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং পরে কলকাতায় নিয়ে আসে।ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময় থেকেই জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি হঠাৎ নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছিলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের ব্যালট বা ইভিএমে তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক বহাল ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭,৭৮৩টি ভোটও পান।নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি অভিযান, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এবং ঝুকেগা নেহি মন্তব্যসব মিলিয়ে জাহাঙ্গিরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছিল। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর সেই বিতর্ক আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।এদিকে অভিযুক্তদের এলাকায় ঘোরানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই ঘটনায় পড়েছে। এর আগে একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি করার অধিকার তাদের নেই।সেই প্রেক্ষাপটে জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পুলিশের এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাপুনর্নির্মাণ নাকি জনসমক্ষে বার্তা দেওয়ার চেষ্টাতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে ভবানীভবনে অভিষেক! সিআইডির সামনে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

কলকাতা হাই কোর্টের কাছ থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও সিআইডির হাজিরা এড়াতে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে তিনি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে অল্প সময় অবস্থান করার পর সোজা ভবানীভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি।সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা যে প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর তাঁকে নিজের হাতেই লিখে দিতে হতে পারে। পরে সেই বয়ানে স্বাক্ষরও করতে হতে পারে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, ভবিষ্যতে বয়ান নিয়ে কোনও বিতর্ক বা অভিযোগ এড়াতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে এই মামলার তদন্তে সিআইডি একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরাকে ঘিরে দিনভর ভবানীভবনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে দফতরের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরে নজরদারি চালানো হয়।মূল গেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্রবেশপথেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল বিশেষ বাহিনী এবং অতিরিক্ত পুলিশ। ভবানীভবনের আশপাশে কোনও ধরনের জমায়েত যাতে না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়।এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান থেকে নতুন কোনও তথ্য বা সূত্র সামনে আসে কি না, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

একের পর এক মামলা, বাড়ছে চাপ! অভিষেককে ঘিরে সিআইডির বড় পদক্ষেপ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি আরও বাড়ল। ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার এবার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। তবে সম্প্রতি তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক ইতিমধ্যেই সিআইডির তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে তদন্তে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বক্তব্যকে ঘিরেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং এখন সেই তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।অন্যদিকে, বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপের মুখে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ভবানীভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। এর মধ্যেই একদিকে আদালতের নির্দেশ মেনে হাজিরার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নতুন মামলায় সিআইডির সক্রিয়তা সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি এবং কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে তিনবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে কোনওভাবেই অসহযোগিতা করা যাবে না। ফলে আগামী কয়েক দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
দেশ

নিখোঁজ নয়, মৃত্যু! ওমানের উপকূলে হামলায় প্রাণ গেল তিন ভারতীয় নাবিকের

ওমানের উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের (Indian Sailors)। প্রথমে তাঁদের নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও পরে তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহত নাবিকদের পরিবারে।জানা গিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কার ওমানের উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটিতে মোট আটাশ জন নাবিক ছিলেন (Indian Sailors)। তাঁদের মধ্যে চব্বিশ জন ছিলেন ভারতীয়। এছাড়াও পাকিস্তান, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার নাগরিকও ছিলেন জাহাজে।হামলার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তিন ভারতীয় নাবিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ তিন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের দেহ ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে (Indian Sailors)।নিহত নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবনন্দ চৌরাশিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পি সুরেশ। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হবে (Indian Sailors)।সর্বানন্দ সোনওয়াল আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দেহগুলি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।এই হামলার ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে।সমুদ্রপথে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পর। নিহত তিন নাবিকের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার, সহকর্মী এবং গোটা দেশ।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

জল্পনা সত্যি! রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, নতুন চর্চা রাজনৈতিক মহলে

দিন কয়েক ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি করে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।এর আগে একাধিক সাংসদ নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) নাম। তাঁর পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে গেল বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে নানা পরিবর্তন এবং মতভেদের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। লোকসভা, বিধানসভা এবং রাজ্যসভা সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে (Koel Mallick)।রাজ্যসভার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এখানে সরাসরি বড় ধরনের ভাঙনের বদলে একের পর এক সাংসদের পদত্যাগের ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সদস্য ইস্তফা দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিকের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তিনি সাংসদ হিসেবে শপথও নেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যদিও ইস্তফার কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।কোয়েল মল্লিকের এই সিদ্ধান্তের পর আগামী দিনে রাজ্যসভার সমীকরণ কোন দিকে যায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘ওর জন্য দলের সর্বনাশ’! নাম না করে অভিষেককে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বহু বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতে সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে দলের অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানিয়েছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তিনি চেম্বারে বসে থাকার সময় অন্য এক আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে একটি নতুন আবেদন দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এরপর আর মামলাটি লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরে তাঁকে জানানো হয় যে মামলায় অন্য একজন আইনজীবী সওয়াল করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দলের হয়ে লড়াই করার পরও তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তৃণমূলের হয়ে একাধিক আলোচিত মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই কারণেই তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভিতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণই বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সমর্থন আগের মতোই রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রবীণ এই নেতার বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, দলের ভিতরের বৃহত্তর অসন্তোষেরও ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এখন নজর তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে। কারণ তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal